সাংবাদিক : সমর
নদিয়া-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এ বছর বোরো ধানের চাষে আশার আলো দেখছেন কৃষকরা। শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ধানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়েছে, যা ফলনের পক্ষে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

নদিয়া-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এ বছর বোরো ধানের চাষে আশার আলো দেখছেন কৃষকরা। শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ধানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়েছে, যা ফলনের পক্ষে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
স্থানীয় কৃষকদের বক্তব্য, গত কয়েক বছরে আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা, অতিরিক্ত বৃষ্টি বা খরার কারণে বোরো চাষে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। তবে চলতি বছরে তেমন কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি এখনও দেখা যায়নি। পর্যাপ্ত রোদ এবং সময়মতো সেচ পাওয়ায় ধানের শীষ ভালোভাবে গজাচ্ছে।
কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন ব্লকে সেচের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে এবং কৃষকদের উন্নত মানের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি, মাঠপর্যায়ে কৃষি আধিকারিকরা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছেন যাতে কোনও রোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমণ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
একাধিক কৃষক জানিয়েছেন, যদি আবহাওয়া এভাবেই অনুকূলে থাকে, তাহলে এ বছর উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। এর ফলে শুধু কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে না, বাজারেও চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বোরো ধান পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই ভালো ফলনের সম্ভাবনা রাজ্যের সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতির জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।
সব মিলিয়ে, প্রকৃতির সহায়তায় এ বছর বোরো চাষে আশাবাদী নদিয়ার কৃষকরা—তাদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি।
