নিজস্ব সংবাদদাতা : প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষে তপ্ত কালীগঞ্জ, তামান্নার মাকে ঘিরে বিতর্ক, বিজেপির অন্দরেও বিক্ষোভ. নদিয়ার কালীগঞ্জে প্রার্থী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে উঠেছে। তামান্নার মাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই স্থানীয় স্তরে ক্ষোভের সুর ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। শুধু সাধারণ কর্মী-সমর্থকই নয়, দলীয় অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিক্ষোভের খবর সামনে এসেছে।

নদিয়ার কালীগঞ্জে প্রার্থী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে উঠেছে। তামান্নার মাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই স্থানীয় স্তরে ক্ষোভের সুর ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। শুধু সাধারণ কর্মী-সমর্থকই নয়, দলীয় অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিক্ষোভের খবর সামনে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক নেতাকর্মী প্রার্থী হওয়ার আশায় ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে তামান্নার মাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় তাঁরা নিজেদের বঞ্চিত মনে করছেন। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় স্তরের মতামতকে উপেক্ষা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর জেরে কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখা গেছে। কিছু জায়গায় দলীয় কর্মীরা প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়ে সভা-বৈঠক বয়কট করার কথাও বলেছেন। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, যেখানে অনেকেই প্রার্থী নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
শুধু স্থানীয় স্তরেই নয়, বিজেপির অন্দরেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। একাংশ নেতাকর্মী মনে করছেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচনের আগে দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে দ্রুত বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার জন্য উচ্চ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।
যদিও দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নির্বাচনের মুখে এই ধরনের অন্তর্কলহ দলের পক্ষে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই ঘটনা নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা বাড়ছে। এখন দেখার, এই অসন্তোষ কতটা প্রশমিত করতে পারে দলীয় নেতৃত্ব এবং তার প্রভাব আসন্ন নির্বাচনে কতটা পড়ে।
